Thursday, 26 April 2012

রবীন্দ্রনাথের বাচস্পতি : -‘শুধু মজা লাগে না, আশ্চর্য লাগে’


কৈশোরে পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই লেখাটা।  বাংলা  সাহিত্যে,  কবিতার ভাষায়  শব্দ বাঁকানো-চোরানোর খেলা কতো  দূর চলে যেতে পারে সেই প্রেক্ষিতে তাঁর এই বাচস্পতি মশায়ের গল্প।  রবীন্দ্রনাথের ‘অদ্ভুত-রত্নাকর’ সভার তিনিই ছিলেন পয়লা নম্বর পণ্ডিত, যিনি পড়াশুনো করেছিলেন বিস্তর, আর তাতে মনের তলা পর্যন্ত  গিয়েছিল ঘুলিয়ে।   তিনি শব্দার্থের বাঁধন খুলে  ও শব্দের ফোনেটিক্স নিয়ে বিস্তর গবেষণা করে একেবারে গোড়াগুড়ি একটা ভাষা বানিয়ে ফেলেছিলেন, যা ছিলো অভিধানের আঁচল-ছাড়া।

গল্পের শেষে  রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘বাচস্পতি আর কিছুদিন বেঁচে থাকলে সভাপতির ভাষা এতদিনে ওঁদের মুখবুদবুদি শব্দে রঝম গঝম করে উঠত।’

অনেকেই হয়তো লেখাটা আগে পড়েননি।  এই লেখার পর দীর্ঘ  ৭১বছর কেটে গেছে, কিন্তু বাচস্পতি কি সত্যিই মারা গেছেন ? আজও   যে টের পাওয়া যায় তাঁর ‘হাব্বারফ্লুয়াস ইনফ্যাচুফুয়েশন’!
                                                                                                                
                                                                      -  শংকর লাহিড়ী । 


Wednesday, 14 March 2012

কৌরবে, ক্যাম্পের দিনগুলোতে কবি স্বদেশ সেন

কবি স্বদেশ সেনের প্রধান সঙ্গ তাঁর কবিতায়। অমরতা থেকে দূরে একসঙ্গে কিছু মাইলস্টোন আমরা হেঁটেছি। কখনও পান্থশালা, চৌমাথা, ওভারব্রিজ। কখনও বালিয়াড়ি, বাসট্যান্ড, পাইন বন। কোথা থেকে এসেছে  ওঁর কবিতা । কোনও উজ্জ্বল বাইসাইকল, না এক গোপন অন্ধকার ক্যানয় ? ভারতবর্ষীয় সমুদ্রতীর, না আধুনিক ইউরোপীয় রান্নাঘর ? খবরের কাগজ, না সাম্প্রতিক রেডিও-অ্যাক্টিভিটি ? এসবই আমাদের অজ্ঞাত। সময়ের এক প্রধান অংশ জুড়েই তিনি শ্রোতা। মাত্র কখনো নিজের ভোকাবুলারি খুলে দেখিয়েছেন।  বিভিন্ন সময়ে, ঋতুতে, সেপ্টেম্বরে তাঁর সেই একান্ত ক্রোধ, মস্করা, উচ্ছ্বাস, বেদনা ও স্বগতোক্তির কিছু অংশ এখানে উদ্ধৃত করা হল।

-তাঁর 'রাখা হয়েছে কমলালেবু' রচনার সময়কালে আমরা তিনজনে (স্বদেশদা, কমলদা ও আমি) একসাথে অনেক আড্ডায়, বাড়িতে, ক্যাম্পে, হাইওয়ে ধাবায়,  কতো অবিশ্বাস্য সময় একত্রে কাটিয়েছি । - সেইসব চাঁদিপুর, সিমলিপাল ও বেথলার ক্যাম্পে  (১৯৭৮-৮১)  স্বদেশদার অন্তরঙ্গ বক্তব্যের  এই সংকলন  পরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলো  'কমলালেবু' বইয়ের শেষে।
 
-শংকর লাহিড়ী 



 ( সিংভূমে বসন্ত )
( চাঁদিপুরে প্রথম ক্যাম্প > সমুদ্রতীরে বাঁদিকে কমল, ডানদিকে স্বদেশ )
(বেথলা জঙ্গলে গাছ-বাড়ি)
   ( চাঁদিপুরে বলরামগুড়িতে, -বুড়ি বালাম নদীর সঙ্গমে) 
(চাঁদিপুরে প্রথম ক্যাম্পের সেই 'গোল ঘর' )

   ( চাঁদিপুর ক্যাম্পে, সী-বিচে সূর্য গ্রহণের আগে )


   ( জামশেদপুরে কৌরবের 'ভুবন মেলায়' )

    ( ছুটির দিনে পাহাড়ে জঙ্গলে )

 ( প্রচ্ছদঃ  শংকর লাহিড়ী )  
------------------------

Saturday, 10 March 2012

‘সফল কবিতার মানদণ্ড' - একটি সাক্ষাৎকার


সতেরো বছর আগে, ১৯৯৫ সালে জামশেদপুর রেডিও স্টেশন থেকে আমার একটা সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছিল, যার বিষয় ছিল, ‘সফল কবিতার মানদণ্ড’।

এখানে দেওয়া হ'ল সেই রেকর্ডেড সাক্ষাৎকারের সম্পূর্ণ প্রতিলিপি,  যেমন জামশেদপুরের কালিমাটি পত্রিকার ৫৬ সংখ্যায় (-তার  প্রচ্ছদ এঁকেছিলাম আমি) প্রকাশিত হয়েছিলো। - সাক্ষাৎকারটি  নিয়েছিলেন ঐ রেডিও স্টেশনের বাংলা বিভাগের সাহিত্যকর্মী ও নাট্যকার বন্ধু সব্যসাচী চন্দ।    


-এর পরবর্তী দীর্ঘ সময় জুড়ে আমার লেখায় ও ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে অনেক, সেইসব নিয়ে 'কবিতার এরিনা' ও অন্যত্র আলোচনা করেছি।

 - শংকর লাহিড়ী